ইরানের হরমুজ নিয়ন্ত্রণের অধিকার আছে
হরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার সব অধিকার ইরানের আছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার দূত ভাসিলি নেবেনজিয়া। তিনি অভিযোগ করেছেন, পশ্চিমা দেশগুলো ভণ্ড এবং তারা দস্যুতার সঙ্গে জড়িত।
তিনি বলেন, “ইরানের ওপর সব দোষ চাপানোর একটি চেষ্টা হয়েছিল। বিষয়টি এমন যেন ইরান তার প্রতিবেশীর ওপর হামলা চালিয়েছে।”
“যুদ্ধের সময়, উপকূলবর্তী একটি দেশ, যেটি হামলার শিকার হয়েছে, সেটি তার নিরাপত্তার স্বার্থে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রিত করতে পারে।”
পশ্চিমা দেশগুলোকে দস্যু ও ভণ্ড হিসেবে অভিহিত করে রুশ দূত বলেছেন, পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় সমর্থন করছে।
তিনি বলেন, “জলদস্যুরা মাথার খুলি ও হাঁড় আকা কালো পতাকা উড়িয়ে দস্যুতা করে। কিন্তু পশ্চিমারা এভাবে দস্যুতা করে না। তারা তাদের বেআইনি কাজকর্ম (দস্যুতা) জবরদস্তিমূলক বিভিন্ন কিছুর মাধ্যমে করে থাকে।”
মোজতবা খামেনির বার্তা পেয়েছেন, জানালেন পুতিন
কয়েক দিন আগে ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির বার্তা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গতকাল মঙ্গলবার ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করতে গতকাল সোমবার রাশিয়ার স্থানীয় সময় ভোরের দিকে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক হয় তার।
বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পুতিন বলেন, “আমি কয়েক দিন আগে (ইরানের) সর্বোচ্চ নেতার বার্তা পেয়েছি। অনুগ্রহ করে আমার অভিনন্দন এবং তার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনার কথা তার কাছে পৌঁছে দেবেন।”
মোজতবা খামেনি তাকে কী বার্তা দিয়েছেন, তা অবশ্য পুতিন ভেঙে বলেননি; তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে ইরানের লড়াকু অবস্থানের প্রশংসা করেছেন তিনি।

