স্ত্রীর মরদেহ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ফেলে স্বামীর বিষপান!

দক্ষিণাঞ্চল ডেস্ক

স্ত্রীর মরদেহ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ফেলে বাড়িতে ফিরে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন স্বামী। গতকাল রবিবার দুপুরে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হিজলপল্লী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

জানতে চাইলে রাজশাহীর বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। বিকেলে নিহত ফাল্গুনী খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত তার মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে কিছু জানা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপাতত এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হবে। জানান ওসি।

এসময় পরিবারের বরাত ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, উপজেলার হিজল পল্লী গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে লিটন আলী (৩০) কয়েক মাস আগে প্রেম করে ফরিদপুরের শলতা থানার কামাদিয়া গ্রামের ফারুক হোসেনের মেয়ে ফাল্গুনী খাতুনকে (২২) বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে তাদের সংসার ভালোই চলছিল।

আজ হঠাৎ ফাল্গুনীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এটি আত্মহত্যা না হত্যা তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। বিষপানের আগে হাসপাতালে যাওয়ার পর লিটন জানিয়েছিলেন, স্ত্রী ফাল্গুনীকে বাড়িতে রেখে বাজারে গিয়েছিলেন তিনি। বাড়ি ফিরে দেখেন ঘরের দরজা বন্ধ। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে দেখেন তার স্ত্রীর নিথর দেহ ঝুলছে।

এসময় তাকে দ্রæত বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে শিরিন সুমাইয়া তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সেখান থেকে বাড়ি ফিরে তিনিও বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

 

 

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.