শিরোমণি চক্ষু হাসপাতালের চলমান পরিস্থিতি নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান

 

খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি

খুলনার শিরোমণি বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের চলমান পরিস্থিতি নিরসনে চার দফা দাবীতে প্রতিষ্ঠানের কর্মরত ডাক্তার-কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা গণ স্বাক্ষরকৃত দুটি স্বারকলিপি কর্তৃপক্ষসহ ম্যানিজিং কমিটির কাছে প্রদান করেছে। এদিকে হাসপাতালের চলমান পরিস্তিতিতে আন্তজার্তিক দাতা সংস্থার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে একটি সুত্র থেকে জানাগেছে।

খুলনার শিরোমণি বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের এ্যাডমিনিস্ট্রেটর মাহমুদুল হাসান তারিফের কর্মকান্ডে তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের চাপা ক্ষোভ ছিলো প্রতিষ্ঠানের ডাক্তার-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের। গত ১০ জুন যশোরের অভয়নগর পুলিশের কাছে ৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার হওয়ার পর ক্ষোভ বিষ্ফরণ রুপ ধারণ করে। গ্রেফতারকৃত মাহমুদুল হাসান জেলহাজতে রয়েছে এ খবরে হাসপাতালের ষ্টাফরা নারী কেলেঙ্গারী সহ তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ পরিচালকের বরাবর লিখিত দেয়।

প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণœ এবং বিগত দিনের কর্মকান্ডের জন্য তাকে অপসারণের দাবীতে কর্তৃপক্ষকে আল্টিমেটাম দিয়ে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু রেখে শুরু করে আন্দোলন। আন্দোলনে কর্তৃপক্ষের পক্ষপাতমূলক আচরণে হাসপাতালের সর্বস্তরের জনবল চেয়ারম্যান বরাবর হাসপাতালের এ্যাডমিনিস্ট্রেটর এম মাহমুদুল হাসানের চাকুরী থেকে অপসারণ, এই পরিস্থিতির জন্য হাসপাতালের বর্তমান পরিচালক(ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোঃ আব্দুল হান্নানের চাকুরী থেকে অপসারণ এবং হাসপাতালের বর্তমান পরিচালকের আমলে অন্যায়ভঅবে চাকুরীচ্যুত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে চাকুরীতে পুনঃবহাল তিন দফার দাবীতে গণস্বাক্ষরকৃত স্বারকলিপি প্রদান করেন যা পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদেরকে প্রদান করা হয়। প্রতিষ্ঠানের ডাক্তার-কর্মকর্তা এবং কর্মচারী (স্থায়ী ও অস্থায়ী) সর্বমোট ১৩২ জন জনবলের মধ্যে ১২৪ জনই স্বাক্ষর করেছে স্বারকলিপিতে। প্রতিষ্ঠানের সর্বস্থরের ডাক্তার-কর্মকর্তা এবং ষ্টাফদের দাবী উপেক্ষা করে কর্তৃপক্ষ প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতে আন্দোলনকারী নেতা ডাক্তার বিএম সাইফুর রহমানকে শোকজ নোটিশ পাঠানোর পরে পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে হয়েছে। নতুন করে তারা তিন দফার সাথে আন্দোলনকারী নেতা সাইফুর রহমানসহ এই আন্দোলনে সম্পৃক্ত কাউকে শান্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করলে অনিষ্টকালের ধর্মঘটের আল্টিমেটাম দিয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষের সামনে অবস্থান নিয়ে ধর্মঘট পালন করে। ল্যাবরেটরী টেকনিশিয়ান খায়রুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন, হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডাঃ মিজানুর রহমান নাসিম, ডাঃ নজরুল ইসলাম, ডাঃ বিএম সাইফুর রহমান,ডাঃ জুবায়ের রিয়াল, ডাঃ শিমুল চক্রবর্তি, কর্মকর্তাদের মধ্যে মীর মিজানুর রহমান, কর্মচারীদের মধ্যে গিয়াস জমাদ্দার, মোঃ খায়রুল ইসলাম, আফরোজা ইয়াসমিন প্রমুখ।

 

 

 

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.