শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত দিঘলিয়ার আসমা সারোয়ার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের বেহাল দশা  

দ: প্রতিবেদক  

দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের সেনহাটি বাজার হতে কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আসমা সারোয়ার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।  ২০০১ সালে স্থাপিত হলেও প্রশাসনের উদাসীনতায় বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে বিদ্যালয়টি।  

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে,২০১৬ সালে শিলাবৃষ্টিতে বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের টিনের চাল সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট হয়ে যায়এতে বৃষ্টির পানি চাল ভেদ করে শ্রেণীকক্ষে পড়ে যার কারনে ২০১৮ সালে বর্ষা মৌসুমে ক্লাস করতে পারেনি শিক্ষার্থীরা। এমন বেহাল দশায় থাকায় দুর্ভোগে পড়েছে ২১২ জন শিক্ষার্থী। প্রতি বছর এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় বিদ্যালয়টি আলহাজ্ব সারোয়ার খান ডিগ্রী কলেজের সাব সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা এই বছর ব্যবহার করা সম্ভব হবে না  

 

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, জরাজীর্ণ ভবনের ব্যাপারে একাধিক বার উপজেলা কর্তৃপক্ষের কাছে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যসহ যোগাযোগ করা হলেও কর্তৃপক্ষ দৃষ্টিপাত করেনি। গত চার ফেব্রæয়ারিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করেছি। আশা করি তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে সমাধানের ব্যবস্থা করবেন।  

 

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির একাডেমিক ভবনের টিনের চালা শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত  হওয়ায় বৃষ্টির পানি শ্রেণী কক্ষেই পড়ে। যার মধ্যে ক্লাস করা অসম্ভব। চলতি শিক্ষাবর্ষে বর্ষা মৌসুমের পূর্বে মেরামত করা না হলে ক্লাস করা সম্ভব হবে না।   

 

এ বিষয়ে মুঠোফোনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে দ্রæত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  

 

উলে­খ্য, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ে চলতি শিক্ষা বর্ষে প্রায় ৩০০ ছাত্রী অধ্যয়নরত আছে। ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি, এস.এস.সি ও জে.এস.সি পরীক্ষায় ১০০% পাশের হার গৌরব অর্জনকারী এই প্রতিষ্ঠানটির উপজেলা ব্যাপী ব্যাপক সুনাম রয়েছে। সেক্ষেত্রে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে ভবনটি আশু মেরামতের জন্য খুলনা ৪ আসনের সংসদ সদস, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সুদৃষ্টি কামনা করছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।   

 

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.