বোমা মেরে নেতাকর্মী হত্যা করা যায় কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে নয়

লাবু’র শাহাদাৎ বার্ষিকীতে আ’লীগ নেতৃবৃন্দ

খবর বিজ্ঞপ্তি
আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ছিলো বিএনপি জামায়াত জোট সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য। তাদের লক্ষ্য ছিলো আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীদের ছিন্ন করা। তাই তারা আদর্শিক নেতাকর্মীদের বেছে বেছে হত্যা করা। সেই নীল নকসা মোতাবেক সন্ত্রাসীরা সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর মোর্শেদ খান লাবুকে হত্যা করেছিলো।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপি জামায়াত জানে না যে, আওয়ামী লীগ একটি আদর্শিক রাজনৈতিক দল। এ দলের আদর্শ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু’র ত্যাগ আর আদর্শকে ধারণ করেই নেতাকর্মীরা রাজনীতি করে আসছে। এ দলে নেতার জন্য কর্মী আর কর্মীর জন্য নেতা। বোমা মেরে নেতা বা কর্মী হত্যা করা যাবে কিন্তু বঙ্গবন্ধু’র আদর্শকে নয়। সেটাই প্রমান হয়েছে লাবু হত্যার মধ্য দিয়ে। লাবুকে বোমা নিক্ষেপের পরে দলের নেতাকর্মীরা শত শত ব্যাগ রক্ত আর অর্থ দিয়ে লাবুকে বাঁচানোর জন্য হেলিক্যাপ্টরে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছিলো। জোট সন্ত্রাসীদের বোমার আঘাতে অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণে মৃত্যুবরণ করেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের এই বন্ধন কোন বোমা বা সন্ত্রাসী হামলায় ছিন্ন করতে পারবে না। এই আদর্শিক বন্ধনের কারনেই আওয়ামী লীগ আজ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। ইনশাল্লাহ বঙ্গবন্ধু’র আদর্শে লালিত কর্মীরা কখনও এদেশে সন্ত্রাসী জঙ্গীবাদের উত্থান হতে দেবে না।
নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে এদেশ থেকে সন্ত্রাস জঙ্গীবাদ প্রায় উচ্ছেদ করে দিয়েছেন। সন্ত্রাস জঙ্গীবাদ উচ্ছেদ করে বঙ্গবন্ধু’র আদর্শিক স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মান করতে হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দলীয় কার্যালয়ে সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর মোর্শেদ খান লাবু’র ১৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকীর স্মরণ সভায় নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মিজানুর রহমান রহমান মিজান।
মহানগর আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, মহানগর আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা, ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. মোতালেব মিয়া। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা নুর ইসলাম বন্দ, আবুল কালাম আজাদ, শ্যামল সিংহ রায়, এ্যাড. ফরিদ আহমেদ, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, অধ্যা. মিজানুর রহমান, মফিদুল ইসলাম টুটুল, শেখ নুর মোহাম্মদ, রবীন্দ্র নাথ মÐল, একেএম সানাউল্লাহ নান্নু,তসলিম আহমেদ আশা, রবীন্দ্র নাথ মণ্ডল, শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, চ.ম মুজিবর রহমান, শেখ মো. রুহুল আমিন, মো. জাকির হোসেন হাওলাদার, মো. আমির হোসেন, টি এম আরিফ, জান্নাতুল ফেরদৌস পিকুল, মামনুন রশীদ, মো. রুহুল আমিন খান, আবুল কালাম আজাদ, সাবির খান, মাহাবুব মম, ইদ্রিস আলী, জব্বার আলী হীরা, মাহমুদুল হাসান রাজেস, নুরজাহান রুমি, আঞ্জুমানোয়ারা বেগম, জেসমিন সুলতানা শম্পা, শহীদ মঞ্জুর মোর্শেদ খান লাবু’র সহধর্মিনী মেহেজামিন খান সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এর আগে সকাল ৯টায় শেখপাড়া বিদ্যুৎ স্কুলের পাশে অকুস্থলে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন খুলনা মহানগর আওমাী লীগ ও ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। শ্রদ্ধা শেষে সেখানে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, জাহিদুল হক, মো. শাজাহান পারভেজ, আবু সাঈদ শেখ, শরীফ এনামুল হক, সাদাসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.