বাদল ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগপত্র অনুমোদন

ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বাদল ও তার স্ত্রী সোমা আলম রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুই মামলার অভিযোগপত্র অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ব্যবসায়ী বাদল ও তার স্ত্রীর সম্পদ জব্দসোমবার কমিশন এই অনুমোদন দেয় বলে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন। আইএফআইসি ব্যাংকের সাবেক পরিচালক বাদলের বিরুদ্ধে ৫৯ কোটি ৭০ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলাটির অভিযোগপত্র অনুমোদন পেয়েছে। ২০১৭ সালের ২৮ এপ্রিল বাদলের বিরুদ্ধে দুদকের তৎকালীন উপ-পরিচালক শেখ আবদুস ছালাম বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানা মামলাটি করেন। পরে দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোশারফ হোসেইন মৃধা মামলাটি প্রায় দুই বছর তদন্ত করে প্রতিবেদনে জমা দিলে দুদক অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয়। প্রনব বলেন, “শিগগিরই সংশ্লিষ্ট আদালতে এ অভিযোগপত্র উপস্থাপন করা হবে। অন্যদিকে বাদলের স্ত্রী সোমার বিরুদ্ধে ৯২ কোটি ৮২ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলার অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৭ সালের ২৯ এপ্রিল দুদকের কর্মকর্তা শেখ আবদুস ছালাম বাদী হয়ে রমনা থানা মামলাটি করেন। এ মামলাটিও উপ-পরিচালক মোশারফ হোসেইন মৃধা তদন্ত করেন।
বাংলাদেশের আর্থিক খাতে আলোচিত নাম লুৎফর রহমান বাদল। বলা হয়, পুঁজিবাজার থেকেই বিত্তশালী হয়ে ওঠেন তিনি। পুঁজিবাজারে কারসাজির ঘটনায় বিভিন্ন সময়ে তার নাম এসেছে। বাদল ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও পরিচিত। ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর বাদলকে আইএফআইসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকে অপসারণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাদল গত কয়েক বছর ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। তার ও সোমার কয়েকশ কোটি টাকার সম্পদ আদালতের আদেশে জব্দ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.