বাংলার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আওয়ামী লীগের জন্ম

 

খুলনায় ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতৃবৃন্দ

 

দ: প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, আওয়ামী লীগের জন্ম হয়েছিলো বাংলার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যে। আর সে অধিকার আদায়ের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬২’র শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬’র ছয় দফা, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, ৭০’র সাধারণ নির্বাচন, ৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতা অর্জন এবং স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা তথা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে চূড়ান্ত গৌরবোজ্জল সফলতা অর্জিত হয়েছে। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বাংলার মানুষকে ঠকিয়ে বার বার পাকহানাদার বাহিনী এবং তাদের দোসররা গণতন্ত্র ধ্বংস করে মানুষে অধিকার ক্ষুন্ন করেছে। আর ওই সকল ষড়যন্ত্রকারীদের এদেশ থেকে বিতাড়িত করতে বাংলার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন বঙ্গবন্ধু ও তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আওয়ামী লীগ তথা বাঙালির গৌরবোজ্জল ইতিহাসকে ’৭১’র পরাজিত শত্রæ এবং ৭৫’র খুনীরা অত্যন্ত সুকৌশলে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র করেছে। কিন্তু আত্মমর্যাদা ও অধিকার বজায় রাখতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে এদেশের জনগণ প্রাণ দিয়েছে। তবুও কোন অন্যায় অবিচারের কাছে বাংলার জনগণ মাথানত করেনি। এই বীরের জাতি সব অন্যায়কে প্রতিহত করে প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে উন্নয়নের শপথ নিয়েছে। নেতৃবৃন্দ দলের নেতাকর্মীসহ খুলনাবাসির উদ্দেশ্যে বলেন, আসুন, দলমত নির্বিশেষে সবাই মিলে আগামী প্রজন্মের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

গতকাল রবিবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনায় নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. কাজী বাদশা মিয়া, এমডিএ বাবুল রানা। সভা পরিচালনা করেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হায়দার আলী, এ্যাড. এম এম মুজিবর রহমান, বিএমএ সালাম, নুর ইসলাম বন্দ, সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, আবুল কালাম আজাদ কামাল, কামরুজ্জামান জামাল, মো. আশরাফুল ইসলাম, এ্যাড. আইয়ুব আলী শেখ, এ্যাড. নবকুমার চক্রবর্তী, শ্যামল সিংহ রায়, মকবুল হোসেন মিন্টু, এ্যাড. নিমাই চন্দ্র রায়, এ্যাড. ফরিদ আহমেদ, শেখ ফজলুল হক, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, হালিমা ইসলাম, অধ্যা. আলমগীর কবীর, অধ্যা. মিজানুর রহমান, হাফেজ মো. শামীম, মো. মফিদুল ইসলাম, মো. শাহাজাদা, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, তসলিম আহমেদ আশা, মাহাবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, হাসান ইফতেখার চালু, শেখ মো. আনোয়ার হোসেন, অধ্যক্ষ দেলোয়ারা বেগম, প্যানেল মেয়র আমিনুল ইসলাম মুন্না, কাউন্সিলর শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, অধ্যা. রুনু ইকবাল, অসিত বরণ বিশ্বাস, কাউন্সিলর লুৎফুন নেছা লুৎফা, আবুল কাশেম মোল্লা, বিএম জাফর, এ্যাড. সরদার আনিসুর রহমান পপলু, রনজিত কুমার ঘোষ, শেখ পীর আলী, শেখ মো. আবু হানিফ, শফিকুর রহমান পলাশ, শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, পারভেজ হাওলাদার, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, মো. ইমরান হোসেন, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, কাউন্সিলর আলহাজ্ব ইমাম হাসান চৌধুরী ময়না, কাউন্সিলর কনিকা সাহা, কাউন্সিলর আরিফুর রহমান মিঠু, মো. শাজাহান পারভেজ, আব্দুর রাজ্জাক, একেএম শাহজাহান কচি, ফেরদৌস হোসেন লাবু, মঈনুল ইসলাম নাসির, মুন্সি আইয়ুব আলী, নুর ইসলাম, জাহিদুল হক, চ.ম মুজিবর রহমান, শেখ আব্দুল আজিজ, আব্দুল হাই পলাশ, গাজী মোশাররফ হোসেন, শেখ ফারুক হোসেন, মো. শিহাব উদ্দিন, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, মহাসিনুর রহমান আফরোজ, শেখ এশারুল হক, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, ফয়েজুল ইসলাম টিটো, গোপাল চন্দ্র সাহা, শেখ মো. রুহুল আমিন, সরদার আব্দুল হালিম, মীর মো. লিটন, হাজী মো. মোতালেব মিয়া, মো. জাকির হোসেন হাওলাদার, ইউসুফ আলী খান, এস এম আকিল উদ্দিন, মুন্সি নাহিদুজ্জামান, মোয়াজ্জেম হোসেন খান, আবুল হোসেন, আঞ্জুমানোয়ারা বেগম, আলেয়া সাঈদ, নুরীনা রহমান বিউটি, নুরজাহান রুমি, তাসলিমা আক্তার লিমা, রিতা আলম, মনোয়ারা বেগম, কবিতা আহমেদ, সাবিহা ইসলাম আঙ্গুরা, জেসমিন সুলতানা শম্পা, এ্যাড. শাম্মী আক্তার, খাদিজা কবীর তুলি সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভা শেষে এক বিশাল আনন্দ র‌্যালি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে দলীয় কার্যালয়ে ৭০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটার মধ্যদিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়। এর আগে সকাল ৭টায় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান এবং দলীয় কার্যালয় আলোক সজ্জা করা হয়।

 

 

 

 

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.