বঙ্গবন্ধু অল্প সময়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে যে জায়গায় এনেছিলেন সেটি বিশ্বে দৃষ্টান্ত

নগর আ’লীগের বর্ধিত সভায় সেখ জুয়েল এমপি

 

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ্ উদ্দিন জুয়েল বলেছেন, ’৭১ এর ডিসেম্বরে বাঙালি পাক হানাদার বাহিনীর কাছ থেকে বিজয় ছিনিয়ে আনলেও বাঙালি পরিপূর্ণ বিজয় এবং স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। ৭২ এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পরে বাঙালি পরিপূর্ণ বিজয়ের স্বাধ পেয়ে ছিলো। বঙ্গবন্ধু ৭২ এর ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ এবং সংগঠনকে সাজাতে গ্রামেগঞ্জে ঘুরে বেড়িয়েছেন। বঙ্গবন্ধু অক্লান্ত পরিশ্রম করে দলের ভীতকে মজবুত ও শক্তিশালী করেছিলেন। সেই থেকেই আওয়ামী লীগ একটি মজবুত ভীতের উপর দাড়িয়ে আছে। আওয়ামী লীগের ভীত মজবুত ও শক্তিশালী বলেই পরাজিত শত্রæরা সংগঠনের ক্ষতি করতে পারে না। যারা দলের মধ্যে ঢুকে সংগঠনের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি দলের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বলেন, সংগঠনে কোন মাদক ব্যবসায়ী, ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী ও জামায়াত বিএনপিকে নেয়া যাবে না। যারাই এদের দলে আনার চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধেই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিভিন্ন দেশ থেকে সাহায্য এনে অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি স্বাবলম্বী জায়গায় আনার চেষ্টা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু অল্প সময়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে যে জায়গায় এনেছিলেন সেটি ছিলো বিশ্বে দৃষ্টান্ত। এজন্যেই পরাজিত শত্রæরা ঈর্ষান্বিত হয়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে। আর সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই শত্রæরা বঙ্গবন্ধুকে ১৫ আগস্ট স্বপরিবারে হত্যা করে। তিনি মুজিববর্ষকে বর্ণাঢ্যভাবে উদযাপন করার জন্য দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে এবং এমডিএ বাবুল রানার পরিচালনায় বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার, কাজি আমিনুল হক, কাজী এনায়েত হোসেন, বেগ লিয়াকত আলী, মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, শেখ সিদ্দিকুর রহমান, এ্যাড. রজব আলী সরদার, নুর ইসলাম বন্দ, শেখ মো. ফারুক আহমেদ, আবুল কালাম আজাদ কামাল, মো. আশরাফুল ইসলাম, এ্যাড. আইয়ুব আলী শেখ, শ্যামল সিংহ রায়, মকবুল হোসেন মিন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, শেখ ফজলুল হক, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, ফেরদৌস আলম চাঁন ফারাজী, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, অধ্যা. আলমগীর কবির, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, কামরুল ইসলাম বাবলু, শেখ নুর মোহাম্মদ, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, মো. শহিদুল ইসলাম, শেখ মোশাররফ হোসেন, মো. শাহাজাদা, কাউন্সিলর শেখ মোশাররফ হোসেন, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, আব্দুল্লাহ হারুন রুমি, স. ম. রেজওয়ান, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, শৈখ সৈয়দ আলী, এ কে এম সানাউল্লঅহ নান্নু, তসলিম আহমেদ আশা, শেখ আবিদ হোসেন, তসলিম আহমেদ আশা, মনিরুল ইসলাম বাশার, শহিদুল ইসলাম বন্দ, এস এম আনিছুর রহমান, মাহাবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, হাসান ইফতেখার চালু, শেখ মো. আনোয়ার হোসেন, মাকসুদ আলম খাজা, প্যানেল মেয়র আমিনুল ইসলাম মুন্না, কাউন্সিলর শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, মো. তরিকুল আলম খান, হাজী নুরুজ্জামান, কাউন্সিলর লুৎফুন নেছা লুৎফা, রনজিত কুমার ঘোষ, সফিকুর রহমান পলাশ, শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, কাউন্সিলর এস এম মোজাফফর রশিদী রেজা, কাউন্সিলর শেখ মো. গাউসুল আযম, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, কাউন্সিলর আনিছুর রহমান বিশ্বাষ, কাউন্সিলর আব্দুর রাজ্জাক, কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলী, কাউন্সিলর প্রিন্স, মাহফুজুর রহমান লিটন, কাউন্সিলর মুন্সি আব্দুল ওয়াদুদ, কাউন্সিলর মো. মনিরুজ্জামান, কাউন্সিলর আরিফ হোসেন মিঠু, প্যানেল মেয়র মেমরী সুফিয়া রহমান শুনু, কাউন্সিলর মনিরা আক্তার, কাউন্সিলর সাহিদা বেগম, কাউন্সিলর রহিমা আক্তার হেনা, কাউন্সিলর পারভীন আক্তার, কাউন্সিলর আমেনা হালিম বেবী, কাউন্সিলর মাহমুদা বেগমসহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ১০ জানুয়ারি সকাল ১০টায় জেলা স্টেডিয়ামে এবং বিকাল ৩টার মধ্যে শহীদ হাদিস পার্কে খুলনা সদর ও সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগ এবং মহানগর পর্যায়ের সকল সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকার সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া বিকাল ৩টায় দৌলতপুর সেভ এ্যান্ড সেফের সামনে খালিশপুর, দৌলতপুর এবং খানজাহান আলী থানার সকল নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকার জন্য সিদ্ধান্ত হয়।

 

 

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.