পাইকগাছায় চিংড়ী ঘের জবর-দখলের চেষ্টা, ক্ষতিসাধন ও হুমকি

 

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছার হোগলাবুনিয়ার একটি চিংড়ী ঘের জবর-দখলের চেষ্টা, হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। জবর-দখলে ব্যর্থ হয়ে প্রতিপক্ষরা ভোগদখলে থাকা ঘের মালিককে পুনরায় জবর-দখলের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রাপ্ত অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলার রাড়–লী ইউনিয়নের শ্রীকণ্ঠপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের মেয়ে রেশমা ও একই এলাকার আমির জোয়াদ্দারের ছেলে নাসিম জোয়াদ্দার শিববাটী-কাঁটাখালী সড়কের পাশে কুলে শ্রীকণ্ঠপুর মৌজার হোগলাবুনিয়ায় এফসিডিআই প্রকল্পের ২.৪০ একর সম্পত্তি ২০/২৫ বছর যাবৎ ভোগদখল করে আসছে। নাসিম-রেশমা গংরা সর্বশেষ ইজারা নেয় ২০১৫ সালে। যার মেয়াদ রয়েছে ২০১৯ সাল পর্যন্ত। পথিমধ্যে নাসিমের শ্বশুর লুৎফর রহমানের নিকট থেকে নাসির নামের জনৈক এক ব্যক্তি জোর পূর্বক ডিডে স্বাক্ষর করে নেয়। অথচ প্রকল্পভুক্ত জমির মালিক হচ্ছেন নাসিম ও রেশমা। ডিডের সূত্র ধরে শ্রীকণ্ঠপুর গ্রামের মৃত মোক্তার আলী গাজীর ছেলে খানজাহান আলী ও সাত্তার গংরা বহিরাগত লোকজন নিয়ে ৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে নালিশী চিংড়ী ঘেরটি জবর-দখলের উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। এ সময় ঘেরের বাসা-বাড়ী ভাংচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। হঠাৎ ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রতিপক্ষরা তাদের লোকজন নিয়ে পালিয়ে যায়। সাথে সাথে নাসিম-রেশমা গংরা তাদের ভোগদখলে থাকা চিংড়ী ঘেরের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের অনুকূলে নেয়। এদিকে দখল চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে প্রতিপক্ষ খানজাহান গংরা আবাও চিংড়ী ঘেরটি জবর-দখল করবেন মর্মে ভোগদখলে থাকা ঘের মালিক নাসিম গংদের হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন নাসিম জোয়াদ্দার। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এফসিডিআই প্রকল্পের ঘের মালিক।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাস জানান, হোগলাবুনিয়ায় খানজাহান নামের কোন ব্যক্তির এফসিডিআই প্রকল্পের কোন জমি নাই। নাসিম জোয়াদ্দার গংরা উক্ত সম্পত্তি বৈধভাবে দীর্ঘদিন ভোগদখল করে আসছেন।

 

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.