ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে ৭ প্রার্থীই বৈধ

দক্ষিণাঞ্চল ডেস্ক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ দলীয় সাত প্রার্থীর সবার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর গোপীবাগে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন এ সিদ্ধান্ত দেন।

বৈধ মেয়র প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস, বিএনপির ইশরাক হোসেন, জাতীয় পার্টির হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুর রহমান, এনপিপির বাহারানে সুলতান বাহার, গণফ্রন্টের আব্দুস সামাদ সুজন ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের আকতারুজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লাহ।

সকালেই রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির হন প্রার্থীরা। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বেলা পৌনে ১০টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তখন দর্শক সারিতে বসা ছিলেন মেয়র প্রার্থী ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাইফুদ্দিন মিলনের মনোনয়নপত্রে নিজের নাম ভুল থাকায় তাকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়। বাকিদের মনোনয়নপত্রের তথ্য সঠিক ছিল। পরে সবার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। বৈধতা নিশ্চিত হওয়ার পর মেয়র প্রার্থীরা সবাই একসঙ্গে দাঁড়িয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার করেন।

৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচন ‘অত্যন্ত সুষ্ঠু ও প্রতিদ্ব›িদ্বতাপূর্ণ’ হবে আশাপ্রকাশ করে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী তাপস বলেন, সবার অংশগ্রহণে একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হবে বলে আমি আশা করি। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সবাইকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহŸান জানাই।

যদি তীব্র শীতও থাকে আমি আপনাদের কাছে আহŸান করব, ভোরে ঘুম থেকে উঠে আপনার ভোটকেন্দ্রে এসে ভোটের মাধ্যমে আপনাদের সেবককে নির্বাচন করবেন। আমার দল এবং আমার নির্বাচনি কার্যক্রমে যারা অংশ নিবেন সবাইকে অনুরোধ করব কমিশনের সব নিয়মকানুন মেনে প্রচারণা চালাবেন।

‘বড় ভাই’ তাপসের সঙ্গে একমত পোষণ করে বিএনপির প্রার্থী মো. ইশরাক হোসেন বলেন, ভোটাররা অবশ্যই ভোটকেন্দ্রে আসবেন। এটি আপনাদের অধিকার, আপনারা প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচন করবেন।

আমি প্রতিজ্ঞা করছি নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলব। একইসঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে যারা কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনীত হয়েছেন তারাও যেন আচরণবিধি মেনে চলেন- বিনীতভাবে এই অনুরোধ করছি। মেয়র প্রার্থীরা চলে যাওয়ার পর কাউন্সিলর প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয়।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.