জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবেলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে : উপমন্ত্রী

খবর বিজ্ঞপ্তি

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপ-মন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার এমপি বলেছেন বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতির পেছনে কোনো দেশ বেশি  দায়ী, আবার কোনো দেশ বেশি ভুক্তভোগী। এ বিষয়টি নিয়ে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ অনেক কথাই বলছেন, কেউ মানছেন, আবার কেউ মানছেন না, আবার কেউ দায় নিচ্ছেন না। তবে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে কেবল বৈশ্বিক সহায়তার দিকে না তাকিয়ে থেকে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতি মোকাবেলায় সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি নিজেদের সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। পদ্মা সেতু তৈরিতে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের দৃঢ়চিত্ত ভ‚মিকা রেখেছেন, তেমনি আমাদের দেশের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতিসহ সকল সমস্যা মোকাবেলায় তাঁর নেতৃত্বে নিজেদের সক্ষমতা অর্জন সম্ভব হবে বলে উপমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উপমন্ত্রী বলেন শিল্প,কল-কারখানা বৃদ্ধির সাথে সাথে দেশে পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি বাড়ছে। তবে শিল্প-কারখানায় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তিনি গতকাল শনিবার, সকালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে আয়োজিত ক্লাইমেট চেঞ্জ এজেন্ডা ফর কালচারাল হেরিটেজ ইন বাংলাদেশ শীর্ষক দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সেমিনার-ওয়ার্কশপের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আন্তর্জাতিক সেমিনার-ওয়ার্কশপের বিশেষ অতিথি হিসেবে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন ইউনেস্কোর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ বিয়াট্রেস কালদুন, সহকারী ভারতীয় হাইকমিশনার রাজেশ কুমার রায়না এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. উত্তম কুমার মজুমদার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আয়োজক কমিটির আহবায়ক ও স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. খো: মাহফুজ-উদ-দারাইন।

এছাড়া সেমিনারে মূল নিবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েটের ওয়াটার এন্ড ফ্লাড ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ড. এ কে এম সাইফুল ইসলাম, আইআইটির (খড়গপুর) প্রফেসর ড. সংঘমিত্র বসু, ভিএসপিবির সহযোগী ড. সুপতেন্দু বিশ্বাস, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের প্রফেসর ড. কাজী আজিজুল মাওলা, প্রত্মতত্ত্ব অধিদপ্তরের খুলনার আঞ্চলিক পরিচালক আফরোজা খান মিতা এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. খো: মাহফুজ-উদ-দারাইন। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি এ সেমিনারে অংশ নেন। সেমিনার থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একটি সুপারিশ মালা সরকারের কাছে পেশ করা হবে।

 

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.