এএসপি মিজান হত্যা; দুই আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট

 

 

দক্ষিণাঞ্চল ডেস্ক

ঢাকার সাভার হাইওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এএসপি) মিজানুর রহমান হত্যা মামলায় দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ। গতকাল রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভুঁইয়া ওই অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে পলাতক আসামি ফারুক হাওলাদারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

এরআগে তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (পশ্চিম) পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম গত সপ্তাহে দুইজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পলাতক ফারুক হাওলাদার ছাড়া মামলার অপর আসামি হলেন কারাবন্দি শাহ আলম ওরফে বুড্ডা। আসামি বুড্ডা ঘটনার কথা স্বীকার করে ফৌজদার কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

এছাড়া দুই আসামি মো. জাকির হোসেন ও আয়নাল হক ওরফে এনামুল হক ওরফে মিন্টু গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়ায় মামলা থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়ার আবেদন করেছে তদন্ত কর্মকর্তা। আর নাম ঠিকানা না পাওয়ার কারণে কামাল নামে আরেক আসামির নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২১ জুন মিরপুর বেড়িবাঁধের বিরুলিয়া ব্রিজ থেকে প্রায় ৫০০ গজ উত্তরে ঢাকা বোর্ড ক্লাবের সামনে থেকে এএসপি মিজানুরের মরদেহ উদ্ধার করে রূপনগর থানা পুলিশ। তার গলায় কাপড় পেঁচানো ছিল। এঘটনায় ওইদিন রাতেই তার ভাই মো. মাসুম তালুকদার রূপনগর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ঘটনার দিন ভোরে সেহেরি খাওয়ার পর সাধারণ পোশাকে উত্তরার বাসা থেকে কর্মস্থল সাভারের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন এএসপি মিজানুর। এসময় আসামি শাহ আলমসহ চার ছিনতাইকারী এএসপি মিজানকে একটি প্রাইভেটকারে তুলে নিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ পরিচয় জানার পর তারা মিজানকে হত্যা করে। ঘটনার সময় প্রাইভেট কারের চালকের আসনের ছিলেন জাকির। চালকের বাঁ পাশে ছিলেন শাহ আলম ওরফে বুড্ডা। পেছনে এএসপি মিজানকে মাঝে রেখে দুই পাশে বসেছিলেন মিন্টু এবং কামাল ওরফে ফারুক। পরে ঝুট কাপড়ের টুকরো গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তারা মিজানকে হত্যা করে।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *