উপজেলা ভোট: চতুর্থ ধাপে ৪৮ প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বী নেই

দক্ষিণাঞ্চল ডেস্ক
চতুর্থ ধাপের ১২২ উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের নির্বাচনে মোট ১৪৪৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪৮ জনের কোনো প্রতিদ্ব›দ্বী নেই।
তফসিল অনুযায়ী সোমবার এ ধাপের মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শেষ হয়েছে। ৬ মার্চ বাছাইয়ের পর ১৩ মার্চ পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় থাকবে। তখনই একক প্রার্থীদের নির্বাচিত ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। আর বাকিদের নিয়ে ৩১ মার্চ ভোট হবে।
রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের সহকারী সচিব আশফাকুর রহমান জানান, চতুর্থ ধাপের ১২২ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪১৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬০১ জন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪২৭ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ২১ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১১ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৬ জন একক প্রার্থী। এবারের উপজেলা নির্বাচনে মনোনয়ন জমার সময় পর্যন্ত প্রথম ধাপে ৩১ জন, দ্বিতীয় ধাপে ২৫ জন এবং তৃতীয় ধাপে ১৮ জন প্রার্থীর কোনো প্রতিদ্ব›দ্বী পাওয়া যায়নি। চতুর্থ ধাপের ৪৮ জন মিলিয়ে এই সংখ্যা দাঁড়াল ১২২ জনে।
দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় পার হলে বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় নির্বাচিতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। দেশের ৪৯২ উপজেলার মধ্যে ৪৫৯টিতে চারটি ধাপে ভোট হবে মার্চ মাসে। বাকি উপজেলাগুলোতে জুন মাসে ভোট করার পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, তফসিল ঘোষিত ৪৫৯ উপজেলায় মোট ৫৮২০ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। প্রথম ধাপে ৮৬ উপজেলায় ১০৮৮ জন প্রার্থী হন। এসব উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২৮৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৮৭ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩১৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন।
দ্বিতীয় ধাপে ১২৪ উপজেলায় প্রার্থী হন ১৬২৬ জন। তাদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৪৮৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৭৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৬৭ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। তৃতীয় ধাপের ১২৭ উপজেলায় তিনটি পদে ১৬৬৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৪৭৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭২৬ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৬১ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
এর আগে ২০০৯ সালে ২২ জানুয়ারি এক দিনেই দেশের সব উপজেলায় ভোট হয়। তাতে বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় নির্বাচিত হন ১২ জন। সর্বশেষ ২০১৪ সালে পাঁচ ধাপে ভোট হয়। এর মধ্যে দুই ধাপে আওয়ামী লীগ-বিএনপির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়; শেষে ব্যবধান বাড়িয়ে বেশিরভাগ উপজেলায় জয় পায় আওয়ামী লীগ। এবার দলীয় প্রতীকে ভোট হচ্ছে উপজেলায়। একাদশ সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তোলা বিএনপি উপজেলার ভোটে অংশ নিচ্ছে না।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.