আশরাফের জন্য অঝোরে কাঁদলেন কাদের

দক্ষিণাঞ্চল ডেস্ক
রাজনীতিতে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ছিলেন তার অগ্রজ অভিভাবক, দীর্ঘদিনের সহকর্মী। সাংগঠনিকভাবে আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় প্রধান বা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আশরাফ যে দায়িত্ব সামলাতেন, সে দায়িত্বই এখন তার কাঁধে। মুক্তিযুদ্ধকালীন রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছেলে আশরাফের সঙ্গে যে স্মৃতি জমেছিল, সেই স্মৃতি হৃদয়পটে ভেসে উঠতেই কেঁদে ফেললেন আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। কাদেরের পাশাপাশি আশরাফের স্বজনদের কান্নায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন আওয়ামী লীগের অন্য নেতাকর্মীরাও।
শনিবার সন্ধ্যায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইট ‘মেঘদূত’যোগে ব্যাংকক থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল অন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ। তার মরদেহ নিতে মরহুমের স্বজন এবং মন্ত্রী-নেতাদের সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন কাদের।
মেঘদূত রানওয়েতে অবতরণ করার আগেই দলীয় নেতাকর্মী ও সৈয়দ আশরাফের স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে রানওয়ের পাশে এসে দাঁড়ান ওবায়দুল কাদের। বিমানের কার্গো ভোল্ট থেকে মরদেহ নামানোর পরে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর  অন্য সদস্য ও সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নিয়ে সৈয়দ আশরাফের কফিন জাতীয় পতাকা মুড়ে দেন ওবায়দুল কাদের। এরপর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি। এক পর্যায়ে নিজেকে আর সামলে রাখতে পারেননি। কেঁদে ফেলেন অঝোরে। পাশে থাকা দলীয় নেতাকর্মীদের সান্তনাও থামাতে পারছিল না দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিভাবক হারানোর এই বেদনা।
বমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে আসার পর সৈয়দ আশরাফ সম্পর্কে সাংবাদিকেরা মন্তব্য জানতে চাইলে প্রথমদিকে তাও বলেননি ওবায়দুল কাদের। বিষয়টিকে এড়িয়ে প্রতিবারই তিনি বলেছেন, এই কয়েকদিনে অনেকবার এই বিষয়ে কথা বলেছি। তার বিষয়ে কথা উঠলেই খারাপ লাগে। তাই আজ আর কিছু বলতে চাই না।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.