আটকে আছে আ’লীগের চার সংগঠনের সম্মেলন

 

 

দক্ষিণাঞ্চল ডেস্ক

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আওয়ামী লীগের সংগঠনগুলোর মেয়াদ দুই বছর হলেও চার বছরে নতুন কমিটি পায়নি ক্ষমতাসীন দলটির চার সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন। মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি নিয়ে চলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগ ও জাতীয় শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা আগামী অক্টোবরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আগেই নতুন কমিটি পাওয়ার আশা করছেন। এজন্য সবাই তাকিয়ে আছেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকে।

এ বছর অক্টোবরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তিন বছরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অক্টোবরেই আওয়ামী লীগের সম্মেলন হবে বলে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দুই মাস আগে জানিয়েছিলেন।

মেয়াদোত্তীর্ণ সংগঠনগুলোর সম্মেলন দ্রুত আয়োজনের বিষয়ে আওয়ামী লীগ থেকে নির্দেশনা আসবে বলে জানিয়েছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। তিনি বলেন, যেসব সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের সম্মেলন যাতে দ্রুত করে ফেলা হয় এজন্য আমরা জানাব।

ওমর ফারুক বলছেন, প্রধানমন্ত্রী সময় দিলেই যুবলীগের সম্মেলন হবে। তিনি বলেন, আমরা সম্মেলন করতে সব সময় প্রস্তুত। আমাদের সাংগঠনিক নেত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা যখনই বলবেন, তখনই আমরা আয়োজন করব।

২০১২ সালের ১১ জুলাই মোল­া মো. আবু কাওসারকে সভাপতি ও পঙ্কজ দেবনাথকে সাধারণ সম্পাদক করে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সর্বশেষ কমিটি হয়। সেই কমিটি এখনও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

কবে নাগাদ সম্মেলন হতে পারে জানতে চাইলে পঙ্কজ দেবনাথ বলেন, আমাদের সংগঠনের সভাপতি মোল­া মো. আবু কাওসার দেশের বাইরে রয়েছেন, তিনি দেশে আসলে সম্মেলনের বিষয় নিয়ে কথা বলব। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রী সময় দিলেই স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন হবে।

একই অবস্থা সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগের। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই কৃষক লীগের সর্বশেষ কমিটি হয় মোতাহার হোসেন মোল­াকে সভাপতি ও খন্দকার শামসুল হক রেজাকে সাধারণ সম্পাদক করে। আর সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম নেতৃত্বাধীন শ্রমিক লীগের বর্তমান কমিটিও মেয়াদ পেরিয়েছে প্রায় তিন বছর আগে।

এই চার সংগঠনের সম্মেলনে বিলম্বের কারণ জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তিন বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আওয়ামী লীগের সম্মেলনের আলোচনা চলছে, সঠিক সময়েই আওয়ামী লীগের সম্মেলন হচ্ছে। সেখানে যে সকল সহযোগী সংগঠনের মেয়াদ শেষ হয়েছে সেগুলোর সম্মেলন ধারাবাহিকভাবে শেষ করা হবে।

 

 

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.