শান্ত-ওয়াসিমের ব্যাটে রংপুরের বিপক্ষে রাজশাহীর দাপুটে জয়
তাওহিদ হৃদয়ের ফিফটিতে বড় সংগ্রহ গড়েছিল রংপুর রাইডার্স। কিন্তু লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মুহাম্মদ ওয়াসিম ও নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটে তা যেন ছোট হয়ে এল রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের জন্য। এই দুই ব্যাটারের ঝড়ো ফিফটিতে ৭ উইকেটের জয় পেয়েছে তারা।
রোববার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪ উইকেটে ১৭৮ রান তোলে রংপুর। জবাবে ৫ বল হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছায় রাজশাহী। এই জয়ে ৭ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে উঠে এসেছে শান্তর দল। ৮ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে রংপুর। শীর্ষে থাকা চট্টগ্রাম রয়্যালসের পয়েন্ট ১০।
৫৯ বলে ৮৭ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন ওয়াসিম। অন্যদিকে ৪২ বলে ৭৬ রান করে ম্যাচসেরা হন অধিনায়ক শান্ত। আগের তিন ম্যাচে ব্যর্থ হৃদয় এদিন রংপুরের হয়ে ওপেনিংয়ে নেমে টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারের নিজের সর্বোচ্চ ৯৭ রানের ইনিংস খেলেন। ডানহাতি এই ব্যাটার তার ৫৬ বলের ইনিংসটি সাজান ৮ চার ও ৬ ছক্কায়।
তবে হৃদয় ছাড়া ব্যর্থ ছিল রংপুরের টপ অর্ডার। কাইল মায়ার্স ৮ রানে বিদায় নেওয়ার পর লিটন দাস ফেরেন ১৪ বলে ১১ রান করে। ধুঁকতে থাকা ইফতিখার আহমেদকে (৮) ফেরান তানজিম হাসান তামিম। চতুর্থ উইকেটে খুশদিল শাহর (৪৪) সঙ্গে ১০৫ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন হৃদয়। সেঞ্চুরি পূর্ণ করার জন্য শেষ বলে তার দরকার ছিল ৩ রানের। কিন্তু জিমি নিশামের বোলিংয়ে কোনো রান নিতে পারেননি তিনি।
লক্ষ্য তাড়ায় তৃতীয় ওভারে দলীয় ১৩ রানে তানজিদ হাসান তামিমকে (৩) হারায় রাজশাহী। এরপর ক্রিজে এসেই ঝড় তোলেন শান্ত। অধিনায়ককে সঙ্গ দিয়ে সমান তালে রান তুলতে থাকেন ওয়াসিমও। সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই ব্যাটার ৩২ এবং শান্ত ২৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। দ্বিতীয় উইকেটে এই দুই ব্যাটার ৮২ বলে যোগ করেন ১৪২ রান। শান্তকে ফিরিয়ে এই জুটি থামান মুস্তাফিজুর রহমান।

