পাকিস্তান সিরিজ দিয়েই বাংলাদেশের বিশ্বকাপ যাত্রার শুরু— সিমন্স
আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ- ২০২৬ এর পর্দা নেমেছে গতকাল। এক মাস ধরে চলা টুর্নামেন্টের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে শিরোপা জিতে নিয়েছে ভারত। আন্তর্জাতিক এ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ছিল দর্শকের ভূমিকায়। এবার টাইগারদের মাঠে ফেরার পালা। ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরবে লাল-সবুজের দল। তবে নাজমুল শান্তদের জন্য এটা শুরু মাঠে ফেরাই নয়, ২০২৭ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শুরুর সিরিজও এটিই।
টাইগারদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে এসেছে পাকিস্তান দল। ম্যান ইন গ্রিনদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে আজ সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। সেখানেই জানিয়েছেন, এ সিরিজ দিয়েই র্যাঙ্কিংয়ে এগোনোর মিশন শুরু করবে বাংলাদেশ।
সিমন্স বলেন, ‘লক্ষ্য র্যাঙ্কিংয়ে ওপরের দিকে ওঠা, শুধু আট নম্বরে থেকে সরাসরি কোয়ালিফাই করা নয়। আসল বিষয় হলো আমরা টেবিলের ওপরের দিকে যেতে চাই। কোয়ালিফিকেশনের সময় যদি আমরা সাত বা ছয়ে থাকতে পারি তবে ভালো, কিন্তু আমরা মূলত টেবিলের ওপরের দিকে যেতে চাই। তার মানে দল হিসেবে আরও ভালো ক্রিকেট খেলা।’
আগামী বছর ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ হবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায়। আসন্ন বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে বাংলাদেশকে র্যাঙ্কিংয়ের আটে থাকতে হবে। পাকিস্তান সিরিজ তাই টাইগারদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। বর্তমানে লাল-সবুজের দল আছে দশে যেখানে পাকিস্তানের অবস্থান চারে। তাই আগে ঘরের মাঠে ম্যান ইন গ্রিনদের ওয়ানডে সিরিজে হোয়ায়িটওয়াশ করার অভিজ্ঞতা থাকলেও সেরা প্রস্তুতিটাই নিতে চান সিমন্স।
তিনি বলেন, ‘তারা এবারও নিশ্চয়ই ৩-০ ব্যবধানে হারতে চাইবে না। তারা এই সিরিজে খুব শক্তভাবে ফিরে আসার চেষ্টা করবে। আরেকটি বিষয় হলো এই সিরিজের উইকেট অনেক ভালো হবে। তাই আমরা এই সিরিজের দিকে তাকিয়ে আছি। এই সিরিজটি আমাদের জন্য ২০২৭ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের পথের শুরু।’
এদিকে এ সিরিজ দিয়েই ওয়ানডেতে নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে লিটন দাসকে। মিডল অর্ডারে ব্যাত করবেন তিনি। সিমন্স বলেন, ‘একজন ওপেনার হিসেবে ৫০ ওভার কিপিং করা খুব কঠিন। এ ছাড়া সে স্পিন বোলিংয়ের বিপক্ষে আমাদের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। তাই সে মিডল অর্ডারে থাকলে আমাদের সাহায্য হবে। মিডল অর্ডার আমাদের অন্যতম দুর্বল জায়গা ছিল। তাই তার অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা দিয়ে আশা করি আমরা সেখানে যা প্রয়োজন তা পাব।’

