ইরানের হামলায় ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলে আহত হয়ে হাসপাতালে ২৩২ জন
ইরানের নিক্ষিপ্ত ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্রে রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলে আহত হয়েছেন ২৩২ জন। এই আহতদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা গুরুতর, ৮ জন মাঝারি মাত্রার আহত এবং ২১৫ জন আশঙ্কামুক্ত।
বাকি ৭ জন ব্যাপকমাত্রায় মানসিক উদ্বেগ ও ভীতিতে ভুগছেন। তাদেরও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইসরায়েল।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি গত দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে পশ্চিমা বিশ্বের। এ দুই ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অভিযানের প্রথম দিনই নিহত হন খামেনিসহ ইরানের সামরিক ও সরকারি প্রশাসনের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা।
সমানতালে হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে।
ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ মার্চ— এক মাসে ইরানের হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ৬ হাজার ৮ জন ইসরায়েলি। তাদের মধ্যে ১২১ জন এখনও হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

